দীর্ঘ সময় পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত-পাকিস্তান
দি নিউজ লায়নঃ দীর্ঘ সময় পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত-পাকিস্তান। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর মুখোমুখি হচ্ছে ভারত আর পাকিস্তান। আগামী ২৪ অক্টোবর ছোট ফরম্যাটের বিশ্বকাপে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। সুপার টুয়েলভের ম্যাচটি দিয়েই আসরে নিজেদের অভিযান শুরু করবে এশিয়ার দুই পরাশক্তি। বিশ্বকাপের মূলপর্বে গ্রুপ টুতে তাদের সঙ্গে রয়েছে আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। এই গ্রুপে যোগ দেবে প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকে যাওয়া আরও দুটো দল। সবশেষ ম্যানচেস্টারে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছে ভারত-পাকিস্তান।
এবার আরেক বিশ্বকাপের বদৌলতে আড়াই বছর অপেক্ষার অবসান ঘটছে ক্রিকেট অনুরাগীদের। দুবাইয়ে গড়াবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মহারণ। এই ফরম্যাটে দুই দলের সবশেষ সাক্ষাৎও হয়েছিল একই মঞ্চে। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কলকাতায় মুখোমুখি হয়েছিল তারা। ওই ম্যাচে বোলারদের দুর্দান্ত প্রদর্শনীর পর বিরাট কোহলির অর্ধশতকে জিতেছিল ভারত।
ছোট ফরম্যাটের দুই বিশ্বকাপের মাঝে নিজেদের মধ্যে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচও খেলেনি দুই দল। কিন্তু কেন? এটা জানা সবার। দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক সম্পর্কে টানাপড়েনের কারণে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ থেকে বিরত তারা। দেখা হয় কেবল বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে। এখন পর্যন্ত আটটি টি-টোয়েন্টি খেলেছে ভারত-পাকিস্তান। ছয়টি জয় এবং একটি হারে দুর্দান্ত রেকর্ড বজায় রেখেছে ভারতীয় দল। ২০১২ সালে এই ফরম্যাটের দুই দলের একমাত্র সিরিজে পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছিল তারা। ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ভারতের। অতীত পরিসংখ্যান আর শক্তি-সামর্থ্য বিবেচনায় এবারের মেগা ইভেন্টে দুই দলের মুখোমুখি সাক্ষাতে ফেবারিটের আসনে থাকবেন কোহলিরাই।
তবে একটিমাত্র ম্যাচ নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ বাবর আজম। পাকিস্তানি অধিনায়কের ভাবনায় গোটা টুর্নামেন্ট, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা হওয়ার বহুল প্রতীক্ষিত এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে আমার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলাম।’ বাবর যোগ করেন, ‘আমরা নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজ খেলার মাধ্যমে প্রস্তুতিটা কাজে লাগাব। যতটা সম্ভব ম্যাচ জেতার চেষ্টা করব যাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে উইনিং ফর্ম এবং গতি বজায় রাখতে পারি।
পাকিস্তানের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হোম ইভেন্টের মতো, কারণ আমিরাত এক দশকেও বেশি সময় ধরে আমাদের ভেন্যু ছিল। আমিরাতে আমরা কেবল দলের মেধা এবং উন্নতি দেখাইনি, শীর্ষ দলগুলোকে হারিয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের শীর্ষেও উঠেছি।’ সব ছাপিয়ে শিরোপাতেই চোখ রাখছেন বাবর, ‘ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে, পাকিস্তান অধিনায়ক হিসেবে এটি আমার প্রথম আইসিসি মেজর ইভেন্ট। আমি ২০১৭ সালে সাফল্যের স্বাদ পেয়েছি (ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল পাকিস্তান) এবং ২০১৯ সালে হতাশার সম্মুখীন হয়েছি যখন আমরা লিগ ম্যাচে উভয় ফাইনালিস্টকে (ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড, যারা ফাইনাল খেলেছিল) হারিয়েও অল্পের জন্য সেমিফাইনাল স্পট থেকে বাদ পড়েছি।’ ।’
Post a Comment